#ব্রেকিং_নিউজ
কাশ্মীরে চলছে গণহত্যা! ২৫০ শতাধিক হতাহত, নিহত ১৪ মুশরিক সেনা!

দখলদার সন্ত্রাসবাদী ভারতীয় মুশরিক হিন্দু বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার শিকার কাশ্মীর। কাশ্মীরের সাথে বহির্বিশ্বের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে কাশ্মীরের অভ্যন্তরে ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে সন্ত্রাসী ভারতীয় সেনারা। ভেতর থেকে আসা খুব স্বল্প যে সংবাদগুলো ছড়িয়ে পড়ছে, তাই হৃদয় কম্পন ধরায়!

জনপ্রিয় গবেষক জায়িদ হামিদ তার এক টুইট বার্তায় বলেন, কাশ্মীরে ভারতীয় দখলদার বাহিনীর সাথে সাধারণ মুসলিমদের লড়াইয়ে আড়াই শতাধিক হতাহত হওয়ার খবর তিনি নিশ্চিতভাবেই পেয়েছেন। তিনি জানান, কেবল শ্রীনগরের একটি হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ৫০টি লাশের দেখা মিলেছে…

জায়িদ হামিদ আরো বলেন, ‘তীব্র সংঘর্ষে নিহত হওয়া প্রায় ১৪ ভারতীয় সেনার লাশও আমি দেখেছি।’

তিনি জানান, সন্ত্রাসবাদী মুশরিক হিন্দু সংগঠন আরএসএসের সদস্যরা ভারতীয় মুশরিক সেনাদের সাথে মিলে মুসলিমদের ঘরে ঘরে ঢুকে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে এবং অপহরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, কারফিউয়ের কারণে চরম খাদ্য, পানি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির সংকটে আছেন কাশ্মীরী মুসলিমরা।

আরো কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিত্তিক সংবাদসংস্থা হতেও এই রকম তথ্য নজরে আসছে।

টেলিগ্রামের একটি ‘যুদ্ধবিষয়ক গ্রুপ’ হতে জানা যায়, সেখানে মুসলিমদেরকে হত্যা করার জন্য হিন্দুদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হচ্ছে।

গ্রুপটিতে আরো বলা হয়, ভারতীয় সন্ত্রাসী বাহিনী কাশ্মীরে গণহত্যা চালাচ্ছে এবং মুসলিম নারীদের ধর্ষণ করছে। ইতিমধ্যে, দুইজন মুসলিম নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করার সংবাদও তারা জানিয়েছে।

জানা গেছে, ১৭ বছর বয়সী রিহান্না, ২১ বছর বয়সী রিনা এবং ১৬ বছর বয়সী আছমাকে তুলে নিয়ে গেছে দখলদার সন্ত্রাসবাদী মুশরিক ভারতীয় হিন্দু সেনারা।

এছাড়া, কাশ্মীরের স্থানীয় সাংবাদিকগণ সংবাদ প্রচার করার অধিকারের দাবি তুলে আন্দোলন করেছেন বলে জানা গেছে।

জনাব জায়িদ হামিদ জানান, ভারতীয় সন্ত্রাসবাদী হিন্দু মুশরিক সেনারা অচিরেই পাকিস্তান শাসিত আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে আঘাত হানতে পারে। তিনি এই আশংকা প্রকাশ করে বলেছেন, আজ হোক বা কাল, অথবা এক সপ্তাহ বা মাস পর, ভারত আজাদ কাশ্মীরে আঘাত হানবে।

তিনি আরো বলেন, যদি আমরা তাদের আক্রমণাত্মক হামলার অপেক্ষায় থাকি, তবে আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমি হারাতে হবে। পরবর্তীতে সেগুলো উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়বে। আমাদেরকে অবশ্যই *যুদ্ধকে শত্রুদের দিকে ফিরে দিতে হবে নতুবা আমাদের ঘরের মধ্যে মোকাবেলা করতে হবে। এই মুহূর্তে যুদ্ধকে এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই, সুতরাং ভালো হবে সাহসী এবং তৎপর হলে।

image