নন্দিত ও প্রখ্যাত ওয়ায়েজ মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবীকে হেনস্তাকারী উত্তরা ১৩ সেক্টর মসজিদের সভাপতি আব্দুল লতিফ মন্ডলের পদত্যাগ চাই-
---------------------------------------------------
গাউসুল আজম জামে মসজিদ, উত্তরা,সেক্টর ১৩। উলামায়ে দেওবন্দের দুজন গর্বিত সন্তানের বদৌলতে যা শুধু উত্তরা নয় বরং পুরো ঢাকা উত্তরের হক্কানি উলামায়ে কেরামের ঘাটি হিসেবে রুপ নিয়েছে।

মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী'র জুমার বয়ান আর মুফতি জোনাইদ কাসেমী'র প্রতিদিনের মেহনতের কারণে এখানকার তাওহীদী জনতা ঈমান ও আমালের পুরোপুরি স্বাদ আস্বাদন করে।

জুমার দিন নির্দিষ্ট সময়ের বহু আগেই দূরদূরান্ত থেকে এমনকি ঢাকার বাহির থেকে আইয়ুবী সাহেবের ভক্ত, অনুরক্তরা এসে মসজিদ ভরপুর হয়ে যায়। আপামর তাওহীদী জনতার কাছে তিনি একজন দরদী দাঈ হিসেবে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধার জায়গাটুকু দখল করে আছে৷

কিন্তু কতিপয় বিভ্রান্ত মানুষ হক ও হক্কানিয়্যতের এ অবস্থানকে কখনোই মেনে নিতে পারেনি। তারা বিভিন্ন কৌশলে তা প্রতিহত করতে চেয়েছে, কিন্তু পারেনি।

কিন্তু এ সেশনে আব্দুল লতিফ মন্ডলের নেতৃত্বে যারা কমিটিতে এসেছে তন্মধ্যে সভাপতি অত্যন্ত ভয়ংকর। ওলামা বিদ্বেষী বিশেষত কওমী মাদ্রাসা বিদ্বেষী এ লোক দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই ইমাম ও খতিবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা করতে থাকে।

বিভিন্ন সভা-সেমিনারে উলামায়ে কেরামকে নিয়ে কটু মন্তব্য করতেও দ্বিধা করেনি। ব্যক্তিগত জীবনে আহলে কোরানের মত ভ্রান্ত মতবাদে ভাবাপন্ন এ স্বঘোষিত পন্ডিত বিভিন্ন সময়ে অযাচিত অনেক সমস্যা সৃষ্টি করে আসছে। যা খুবই দুঃখজনক।

সর্বশেষ আজ জুমায় সে যা করেছে তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না। শিরকের বিরুদ্ধে বয়ান করায় কিছু মাজারী ও মুশরিকের দাবী'র পরিপ্রেক্ষিতে মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবীকে ক্ষমা চাইতে বলে। যা নিতান্তই হঠকারিতা।

মূলত সে একটা ইস্যুকে পুঁজি করে আইয়ুবী সাহেবকে অপমান করতে চেয়েছে। যা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না।

সে যে অপরাধ করেছে, পদত্যাগ করতেই হবে।

(পরিচিত ও প্রিয়জন, সবাই নিজ নিজ ওয়াল থেকে প্রতিবাদ করুন,অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন)।