বলিউডের তারকাকথা


প্রেম করার সময় নেই: সিদ্ধার্থ মালহোত্রা

.

সিদ্ধার্থ মালহোত্রা

বলিউডে নতুন তারকাদের মধ্যে অন্যতম সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তিনি নিজের ওপরেই পরীক্ষা চালিয়ে উত্তরোত্তর নিজেকে আবিষ্কার করে চলেছেন। তিনি যখন ‘মাই নেম ইজ খান’ সিনেমার সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করছিলেন, তখনই তার আকর্ষণীয় লুকিং সবার চোখে পড়ে। 

সিদ্ধার্থ সুদর্শন এবং তার হাবভাব-আচরণ আকর্ষণীয়। সেসঙ্গে শিল্পের প্রতি তার তীব্র অনুরাগ দেখেই করণ জোহরের মতো বিখ্যাত নির্মাতা ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’র মাধ্যমে সিনেমায় অভিষিক্ত করেন তাকে। এরপর বেশকিছু ভালো সিনেমা উপহার দিয়েছেন সিদ্ধার্থ। এর মধ্যে ‘এক ভিলেন’, ‘কাপুর অ্যান্ড সন্স’ তার সাফল্যের ঝুলিতে যোগ হয়েছে। তবে তার কয়েকটি সিনেমা বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থও হয়েছে। 

সর্বশেষ ‘জবরিয়া জোড়ি’ সিনেমায় দারুণ সাফল্য পেয়েছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। কেউ বলেন কিয়ারা আদবানি, আবার কেউ বলেন তারা সুতরিয়ার সঙ্গে তার প্রেম চলছে। তবে লোকমুখে যা-ই প্রচার হোক না কেন, তিনি তার সবটুকু সময় সিনেমাতেই বিনিয়োগ করছেন বলে জানিয়েছেন। সম্প্রতি ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা জানালেন এরকম অনেক কথা। বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো।

পরিণীতি চোপড়ার সঙ্গে আপনি কেমন স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন…

পর্দার বাইরে পরিণীতির সঙ্গে আমার সম্পর্ক বেশ ভাল। এটা একদিক থেকে বেশ সুবিধাজনক। যখন আপনি কারও সঙ্গে আবারও অভিনয় করতে যাবেন (‘হাসি তো ফাসি’র পরে), তখন তার সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করতে আপনাকে কোন কাঠখড় পোড়াতে হয় না। বেশ স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে থাকে সম্পর্ক। পরিণীতি দারুণ অভিনেত্রী। ‘জবরিয়া জোড়ি’ সিনেমার অভিনয় আমরা অনেক উপভোগ করেছি।

‘জবরিয়া জোড়ি’ সিনেমার পোস্টারে পরিনীতি চোপড়া ও সিদ্ধার্থ

বলিউডে বেশ সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই আপনি সংগ্রাম, সাফল্য ও অনিশ্চয়তার অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। এই ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে আপনার অর্ন্তদৃষ্টি কেমন? 

আমার মনে হয়, বৃহত্তর কোন কিছুর জন্যই পৃথিবী আমাকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’র মধ্য দিয়ে আমার অভিষেক সত্যিই সেরা ছিল। এরপর কিছু ভালো ও মন্দ সিনেমা পেয়েছি… বলা যায় একটা রোলার কোস্টার চলেছে আমার ওপর দিয়ে। এর মধ্য দিয়ে আমি আরও শক্তিশালী ও বিচক্ষণ হয়ে উঠেছি। আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। প্রথম যে সত্যটি আমি শিখেছি তা হলো, যদি একটি সিনেমার সাফল্য ও ব্যর্থতা আমার ওপর নির্ভর করে থাকে, তাহলে একজন অভিনেতা হিসেবে আমাকে সিনেমাটির সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত হতে হবে, আরও নিজের করে নিতে হবে, আর অবশ্যই অপরের ওপর নির্ভরশীলতা বাদ দিতে হবে।

আপনাকে এমনটা অনুভব করতে হবে যে, আপনি আপনার সেরাটাই দিয়েছ্নে। আমি সিনেমা মুক্তির দিনে কোন পরিতাপ করতে চাই না, যখন আমার আর কিছুই করার থাকে না। 

আর কোন উপলব্ধি?

এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটি হলো কয়েক মাস পরপর নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার ব্যাপার। প্রবহমান নদীর মতো এটি কখনো শেষ হয় না। আমি আশাবাদী, আমি এগিয়ে চলেছি। ভারতে প্রত্যেক প্রজন্মে মাত্র কয়েকজন অভিনেতা দর্শকদের কাছে গৃহীত নায়ক বা নায়িকা হিসেবে স্বীকৃতি পান। আমি সেরকমই একজন হতে পেরে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করি। এমন কোন মহাতারকা নেই যিনি কোন ব্যর্থ সিনেমা করেননি। এটা অগ্রযাত্রারই একটি অংশ। 

 

আপনার পরিষ্কার ভাবমূর্তি আছে। এজন্য আপনি কি বিশেষ গুরুত্ব দেন?

আমার সহজাত প্রকৃতি হলো, সবার চেয়ে এগিয়ে থাকা। আমি সিনেমাসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র থেকে উঠে আসিনি। আমি দিল্লিতে বড় হয়েছি। এই শিল্পে কাজ করার কোন ধারণাই ছিল না আমার। এটা বুঝে উঠতে আমার বেশ সময় লেগেছে। কিন্তু আমি সবসময়ই সৎ থেকেছি। আমি আমার অনুভবের কথা মানুষের মুখের সামনে অকপটে বলতেই পছন্দ করি। যদিও ইন্ডাস্ট্রিতে এটা কঠিন কাজ, তবুও আমি আমার সব লেনদেন ও সম্পর্কের জায়গা পরিষ্কার রাখতে সচেষ্ট থাকি। Read morehttps://www.banglanews24.com/entertainment/news/bd/739680.details

66 Views